শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয় খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারিতে দীর্ঘ এক বছর ধরে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিগগির খুলে দেয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আগামী পাঁচ-ছয় দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর
ব্রিফিংয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সচিব বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি
দেখে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করে ৫-৬ দিনের মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত
নেয়া হবে।
এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে
ভার্চুয়ালি মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন। সেখানেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
কবে খোলা হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘এতদিন হয়ে গেছে।
ইংল্যান্ড ছাড়া ইউরোপের অন্যান্য দেশে স্কুল কলেজ খোলাই আছে ভার্চুয়ালি। সেই সব দৃষ্টিকোণ
থেকে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন আপনারা বসে চিন্তাভাবনা করেন- যে আপনারা খুলে
দিতে পারবেন কি না।’
কাঙ্ক্ষিত কোনো তারিখ আছে কি না জানতে
চাইলে বলেন, ‘কোনো তারিখ দেয়া হয় নাই। তবে গ্রামে গঞ্জে দেখা যাচ্ছে
ছেলেমেয়েরা খুব ফ্রিলি মুভ করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন শিক্ষক কর্মচারীদের ভ্যাকসিনটা
কনফর্ম করতে হবে।’
হল খুলে দেয়ার বিষয়ে বলেন, ‘আলোচনা হয়েছে
তবে নির্দিষ্ট করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান নিয়ে না, বিশেষ করে
যারা রেসিডেন্সিয়াল তাদের সেফটিটা সব থেকে বড় ঝুঁকির বিষয়। তাদের কিভাবে নিরাপত্তা
নিশ্চিত করে স্কুল কলেজ খোলা যায় সেটা দেখার জন্য বলা হয়েছে।"
তিনি বলেন, ‘আমরা এই সপ্তাহে
না হলে আগামী রবিবার বা সোমবারের মধ্যে বসে যাবো। বসে একটা সিদ্ধান্ত হবে। বিশেষজ্ঞ
এবং আইনশৃঙ্খলার লোকদের সাথে বসতে হবে। আমরা আশা করি ৫-৬ দিনের মধ্যে বসে একটা আলোচনা
করবো। সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়টি পরিবেশটা প্রিভিউ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হতে হবে। আমরা ৫-৬ দিনের মধ্যে বসে যাবো।’








