মুজুরাবানিতে ধস বাংলাদেশের, জিম্বাবুয়ের লক্ষ্য ১৭৪
বৃষ্টি বিঘ্নিত সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিন মোটামুটি কর্তৃত্ব করেছিল
বাংলাদেশ। ৪ উইকেটে ১৯৪ রান তুলে দিন শেষ করেছিল। লিড নিয়েছিল ১১২ রানের। কিন্তু
বৃষ্টি বিঘ্নিত চতুর্থ দিন সকালেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে গেছে বাংলাদেশ। জাকের
আলী লড়াই করলেও মুজুরাবানির তোপে ২৫৫ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা।
জিম্বাবুয়ে
জয়ের জন্য ১৭৪ রানের লক্ষ্য পেয়েছে। সিলেটে ওই রান করতে পারলেই ২০১৮ সালের পর
বাংলাদেশের বিপক্ষে বাংলাদেশের মাটিতে আরেকটি ঐতিহাসিক টেস্ট জয় করবে সফরকারী
জিম্বাবুয়ে।
প্রথম বলেই আউট শান্ত, ব্যর্থ মিরাজ: বাংলাদেশ দল সিলেট টেস্টে অধিনায়ক শান্তর
ব্যাটে আশা দেখছিল। তিনি ৬০ রান করে অপরাজিত ছিলেন। তৃতীয় দিন নির্ভার ব্যাটিং
করতে দেখা গেছে তাকে। কিন্তু চতুর্থ দিন ক্রিজে ফিরে প্রথম বলেই আউট হয়ে যান এই
বাঁ-হাতি ব্যাটার।
তার মতো
হতাশ করেন মেহেদী মিরাজও। তিনি ক্রিজে এসে ব্যাট তুলে খেলতে শুরু করেন। ১১ রান করে
ফিরে যাওয়ার আগে ছক্কাও হাঁকান। এরপর টেলেন্ডে বাংলাদেশ দলকে বিপদে ভরসা দেওয়া
তাইজুল ইসলাম ব্যর্থ হয়ে ফিরলে চাপটা প্রবল হয় বাংলাদেশ দলের ওপর।
জাকেরের লড়াই: সকালে
দ্রুত উইকেট হারানোর পর এক প্রান্ত দিয়ে লড়াই চালিয়ে যান জাকের আলী। তিনি শেষ
ব্যাটার হিসেবে ১১১ বল খেলে ৫৮ রান করে আউট হন। চারটি চার ও একটি ছক্কা মারেন।
জাকেরকে সঙ্গ দিতে পারেননি টেলেন্ডে খালেদ আহমেদ। তবে হাসান মাহমুদ৫৮ বল খেলে ১২
রান করেন। তাদের জুটি থেকে আসে ৩৫ রান।
প্রথম ইনিংসে বিপর্যয়: সিলেট টেস্টে টস জিতে ব্যাট
করতে নেমে প্রথম ইনিংসে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ দল। ১৯১ রানে অলআউট হয়ে যায় শান্ত,
মুমিনুল, মুশফিকরা। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে মুমিনুল ৫৬ ও শান্ত ৪০ রানের
ইনিংস খেলেন। জাকের আলী ২৮ রান যোগ করেন। জিম্বাবুয়ের ব্লেজিং মুজুরাবানি ও
ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ৩টি করে উইকেট নেন। মেধেভেরে ও নায়োচি নেন দুটি করে
উইকেট।
জিম্বাবুয়ের লিড: প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ে
দারুণ ব্যাটিং শুরু করে। তবে নাহিদ রানা ও মেহেদী মিরাজের বলে তাদের নাগালে রাখা
সম্ভব হয়েছিল। জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংসে ২৭৩ রান তোলে। ৮২ রানের লিড নেয়। দলটির হয়ে
ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ৫৬ ও শন উইলিয়ামসন ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন। মিরাজ ৫টি ও নাহিদ
নেন ৩ উইকেট।








