ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ১৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৬৭ পয়সা। এছাড়া এ হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২ টাকা ২০ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ২৩ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২ মার্চ।

এর আগে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৭ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৫ পয়সা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৮৭ পয়সা। আর আলোচিত হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ১ টাকা ৭৪ পয়সা। এর আগে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৭২ পয়সা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৩১ পয়সা। আর আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৬ টাকা ৮ পয়সা। এর আগে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৮৩ পয়সা। এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৮০ পয়সা। আর আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ২ টাকা ৮০ পয়সা।

বিমা খাতের ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ২০২০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৪৪ কোটি টাকা। কোম্পানিটির মোট চার কোটি ৪০ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৫৮ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে শূন্য দশমিক ০৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ২৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ শেয়ার।
এদিকে গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটির শেয়ারদর ৫ দশমিক ১৬ শতাংশ বা ২ টাকা ৭০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৪৯ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ৪৯ টাকা ৬০ পয়সা। দিনভর শেয়ারটির দর সর্বনিম্ন ৪৯ টাকা ১০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৫৩ টাকা ৬০ পয়সায় ওঠানামা করে। এদিন কোম্পানিটির ৮ লাখ ৫৯ হাজার ৬৮৫টি শেয়ার ১ হাজার ৯৪৫ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ১২৮ টাকা ২০ পয়সা ও সর্বনিম্ন ৩৬ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।