ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য জমি ইজারা নিয়েছে ফারইস্ট নিটিং

গার্মেন্টস ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য ৩১৮ শতাংশ জমি ইজারা চুক্তি অনুমোদন করেছে বস্ত্র খাতের কোম্পানি ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ৩১৮ শতাংশ জমি ইজারা চুক্তি করেছে কোম্পানিটি। এর জন্য মাসিক ২ লাখ টাকা ভাড়া দেবে কোম্পানিটি। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ মাসের জন্য এই চুক্তি হয়েছে। কোম্পানিটির উৎপাদন, প্রিন্টিং, ডায়িং এবং নিটিংয়ের সক্ষমতা তথা গার্মেন্টস ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য এই জমি ব্যবহার করা হবে।
এদিকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২৪) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ফারইস্ট নিটিংয়ের। কোম্পানিটির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২৪) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৫ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৪ পয়সা (লোকসান)। অর্থাৎ শুধু দ্বিতীয় প্রান্তিকের হিসাবে ইপিএস বেড়েছে ৫৯ পয়সা। অন্যদিকে প্রথম দুই প্রান্তিকে বা প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২৪) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭৩ পয়সা, আগের বছরের একই সময় ছিল ৩২ পয়সা (লোকসান)। অর্থাৎ প্রথমার্ধে বা প্রথম দুই প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা ৫ পয়সা। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৩৯ পয়সা। এছাড়া প্রথমার্ধে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থ প্রবাহ হয়েছে ৪৯ পয়সা (ঘাটতি), আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪ টাকা ৭ পয়সা।
‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ২১৮ কোটি ৭৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট ২১ কোটি ৮৭ লাখ ৪৪ হাজার ১৭১ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৬৭ দশমিক ১৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৬২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ২৯ দশমিক ১৯ শতাংশ শেয়ার।
এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১ দশমিক ১০ শতাংশ বা ২০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ১৮ টাকা ৪০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল একই। ওইদিন কোম্পানিটির ৩ কোটি ৭ লাখ ৯০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে ১৬ লাখ ৭০ হাজার ৪৮৬ শেয়ার মোট ৭৬০ বার হাতবদল হয়। ওইদিন শেয়ারদর সর্বনিম্ন ১৮ টাকা ২০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১৮ টাকা ৬০ পয়সায় হাতবদল হয়। তবে গত এক বছরের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ারদর সর্বনিম্ন ১২ টাকা ২০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২২ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।
কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২৪ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা। ৩০ জুন, ২০২৪ তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৬ পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৩৬ পয়সা। এর আগে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২৩ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৩ পয়সা। ৩০ জুন, ২০২৩ তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৫৩ পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৬ পয়সা। এর আগে ২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ১ টাকা ৪ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৭৪ পয়সা। আর ২০২২ সালের ৩০ জুন তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছিল ১৯ টাকা ৫০ পয়সা, অথচ আগের বছরের একই দিনে ছিল ১৯ টাকা ৪৬ পয়সা। আলোচিত হিসাবছরে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছিল ২ টাকা ১৭ পয়সা।








