নতুন ভোটার ১৮ লাখ ৩৩ হাজার, মোট ১২ কোটি ৩৬ লাখের বেশি

দেশের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তালিকা অনুযায়ী দেশের মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৩৬ লাখ ৮৩ হাজার ৫১২ জন। নতুন ভোটার হয়েছেন ১৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৫২ জন।
আজ বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকাল
সাড়ে ১০টার দিকে ইসি সচিবালয়ের
জনসংযোগ কর্মকর্তা এই তালিকা প্রকাশ
করেন।
নির্বাচন
কমিশন জানায়, এখন পর্যন্ত ১৩
হাজার ৫৫১ জন প্রবাসী
নিবন্ধন করেছেন। আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে
বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার
তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হবে। চূড়ান্ত
ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ২
মার্চ।
নির্বাচন
কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল
মো. সানাউল্লাহ জানান, ‘ভোটার তালিকাকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে
ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু করবে বর্তমান
কমিশন।
ভুল
এড়াতে অনলাইনে নতুন ভোটারের আবেদন
করার আহ্বান জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘২০০৭ সালের ১
জানুয়ারির আগে যাদের জন্ম
তাদের ভোটার করা হবে। আর
২০২৫ সালে ভোটার হবার
উপযুক্ত হবেন তারা ভোট
দিতে পারবেন কি না তা
নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রয়োজনে অর্ডিন্যান্স জারি হতে পারে,
তবে সেটা আলোচনার পরে
সিদ্ধান্ত হবে।’
তিনি
আরো বলেন, ‘ভোটারের বয়স নিয়ে রাজনৈতিক
ঐক্যমত হলে সময়মতো ব্যবস্থা
নিবে কমিশন।
পুরো
ভোটার তালিকা যাচাই হবে।’
খসড়া
ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে সানাউল্লাহ জানান, 'চলতি বছরের ১
জানুয়ারি পর্যন্ত ১২ কোটি ৩৬
লাখ ৮৩ হাজার ৫১২
জন ভোটার রয়েছে। গত বছরের তুলনায়
১৮ লাখ ৩৩ হাজার
৩১২ জন ভোটার বেড়েছে।
যা ১.০৫ শতাংশ
বেশি।'
তিনি
আরো জানান, 'এবার খসড়া তালিকা
অনুযায়ী পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৩৩
লাখ ৩০ হাজার ১০৩
জন।
অপরদিকে
নারী ভোটার ৬ কোটি ৩
লাখ ৫৩ হাজার ৪০৯
জন। এবার সাতটি দেশের
প্রবাসীদের ভোটার তালিকায় আনা হয়েছে বলে
জানান নির্বাচন কমিশনার।'
তিনি
বলেন, ‘তালিকায় ১৩ হাজার ১৫১
জন প্রবাসী ভোটার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।’
আরো
পড়ুন
ভোটার
তালিকা আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশের
নাগরিকরা ১৮ বছর বয়স
পূর্ণ করলেই ভোটার হতে পারেন। এজন্য
বছরের যেকোনো সময়ই ভোটার হওয়া
যায়। তবে নির্বাচন কমিশন
ভোটার তালিকা হালনাগাদ করে প্রতি বছরের
২ মার্চ। তার আগে ২
জানুয়ারি খসড়া তালিকা প্রকাশ
করে দাবি ও আপত্তি
নেয়। সেগুলো নিষ্পত্তির পরই প্রকাশ করা
হয় চূড়ান্ত তালিকা। আর এই তালিকার
ভিত্তিতেই অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় এবং
স্থানীয় সরকার নির্বাচন।








