মামলা নিষ্পত্তিতে রেকর্ড ঢাকার সিএমএম আদালতের

২০০৭ সালে জুডিসিয়াল
ম্যাজিস্ট্রেসি পৃথকীকরণের মাধ্যমে স্বাধীন বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু। আইনের
শাসন, মানবাধিকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ঢাকা মেগা সিটির দুই কোটির বেশি মানুষের
নিরাপত্তা বিধানের জন্য নিরলসভাবে বিচারিক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন ঢাকার চিফ
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত। কঠোর পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও
কর্তব্যনিষ্ঠার মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীর প্রতি সমবেদনা এবং ভালোবাসা দিয়ে ১৭ মাসে
(২০২১ সালের জুন থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) তিন লাখ ২১ হাজার ৬৭৫টি
মামলা নিষ্পত্তি করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
আদালত। রেকর্ডের পাশাপাশি আইনাঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন ঢাকার সিএমএম আদালত।
ঢাকা মেট্রোপলিটন সিটির ৫০টি থানার বিপরীতে ৩৭ জন মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অবকাঠামোগত অপ্রতুলতা সত্ত্বেও মামলাজট নিরসনে নিরলসভাবে কাজ
করছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সিটি করপোরেশন, ডিপিডিসি, পল্লী
বিদ্যুৎ, মেরিন আদালত ও ডেসকো আদালতসহ মোট ১১টি স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
আদালত রয়েছে। এসব আদালতের বিচারকরাও মামলার জট নিরসনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
বর্তমান চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) রেজাউল করিম চৌধুরি ২০২১ সালের ২৭ জুন যোগদান করেন। ঢাকায় যোগদানের আগে তিনি নওগাঁ ও কক্সবাজার জেলায় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কক্সবাজারের আলোচিত সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যা মামলার তদন্তকালে তিনি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কক্সবাজারে কর্মরত ছিলেন। নওগাঁ ও কক্সবাজার ম্যাজিস্ট্রেসির কর্মদক্ষতা কাজে লাগিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেসির মামলাজট নিরসনে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
সিএমএমপ্রধান রেজাউল করিম চৌধুরির কর্মদক্ষতা ও বিচারকদের নিরলস
পরিশ্রমের কারণে মামলা নিষ্পত্তিতে রেকর্ড করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন আইনজীবী ও
বিচারপ্রার্থীরা। যেসব বিচারক সব চাইতে বেশি মামলা নিষ্পত্তি করছেন তাদের জন্য
মাসিক পুরস্কার চালু করেছেন সিএমএমপ্রধান। হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলার ক্ষেত্রে
সতর্কতা অবলম্বন করে মামলা গ্রহণ করছেন ঢাকা সিএমএম আদালত। দ্রুততম সময়ের মধ্যে
অধিকসংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি হাওয়ায় বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা বাড়ছে সাধারণ
মানুষের।
মামলা
দায়েরের তুলনায় ১৫১% নিষ্পত্তি
ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও নেজারত বিভাগের ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা দেবদাস চন্দ্র অধিকারী জাগো নিউজকে বলেন, ২০২১ সালের জুন মাসে মোট মামলা
ছিল ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৭টি। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত নতুন করে আরও ২
হাজার ১৩ হাজার ৪৮১টি দায়ের হয়। এই ১৭ মাসে মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ৬৭৫টি মামলা
নিষ্পত্তি করা হয়, যা সিএমএম আদালতের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড। করোনা মহামারির
প্রকোপ কাটিয়ে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নতুন মামলা দায়েরের তুলনায়
১৫১% মামলা নিষ্পত্তি করেছে। বর্তমানে বিচারাধীন মামলা ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩৭০টি। আশা
করা যাচ্ছে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আর মামলাজট থাকবে না।
অক্টোবর মাসে সর্বোচ্চ নিষ্পত্তিকারী ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের আদালতের ভারপ্রাপ্ত বেঞ্চ সহকারী মো. ফারুক জাগো নিউজকে বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম কিছুটা থমকে গিয়েছিল। গত জুন মাসে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) হিসেবে রেজাউল করিম চৌধুরি যোগদান করেন। তার নেতৃত্বে আইনমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির দিকনির্দেশনায় বিচারকদের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির নতুন উদ্যোম দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১ হাজার ২৭২টি মামলা আমাদের আদালতের বিচারক শহিদুল ইসলাম নিষ্পত্তি করেছেন। আশা করছি সামনের মাসগুলোতে মামলা নিষ্পত্তির হার দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে।
জুলাই মাসে সর্বোচ্চ নিষ্পত্তিকারী ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরির
আদালতের বেঞ্চ সহকারী খন্দকার মোজ্জাম্মেল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের আদালতের
বিচারক রাজেশ চৌধুরি যোগদানের পর থেকে মামলা নিষ্পত্তির হার সন্তোষজনক ছিল।
করোনাভাইরাসের পরবর্তী পরিস্থিতিতে প্রধান বিচারপতি, আইন সচিব আদালত পরিদর্শন করে
মামলা নিষ্পত্তি বাড়াতে উৎসাহ দেন। জুলাই ও আগস্ট মাসে সেরা নিষ্পত্তিকারী হিসেবে
আমাদের আদালতের বিচারক রাজেশ চৌধুরি সম্মাননা পান। জুলাইয়ে ৩৪০টি, আগস্টে ৩৮৭টি ও
অক্টোবরে ২৭৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়। এছাড়া তিন মাসে ৪৩০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর
মধ্যে সেপ্টেম্বর মাসে আমাদের আদালতের বিচারক রাজেশ চৌধুরি প্রশিক্ষণের কারণে
কিছুদিন ছুটিতে থাকায় মামলা নিষ্পত্তি কিছুটা ব্যাহত হয়। বর্তমানে পুরোদমে আমাদের
আদালতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সামনের মাসগুলোতে আমাদের আদালতে মামলা
নিষ্পত্তি দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে।
মামলাজট নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ
মামলাজট নিরসনের লক্ষ্যে সিএমএমপ্রধান রেজাউল করিম বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ
নিয়েছেন। এই কার্যকরী পদক্ষেপের কারণে মামলাজট কমে গেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে।
যেসব কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা
হয়েছে
১. প্রত্যেক আদালত থেকে মাসে ন্যূনতম ১ হাজার প্রসেস ইস্যু করা।
২. সরকারি সাক্ষীদের ডাকযোগে প্রসেস পাঠানোর পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ বা মেসেঞ্জারে
পাঠানোর ব্যবস্থা।
৩. মামলার নির্ধারিত তারিখের আগের দিন সাক্ষীকে চার্জশিটে থাকা ফোন নম্বরে যোগাযোগ
করার মাধ্যমে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ।
৪. প্রসিকিউশন পক্ষে এপিপিকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য এবং সরকারি সাক্ষীর উপস্থিতি
নিশ্চিতের জন্য প্রত্যেক কোর্টে একজন সিএসআই নিয়োগের ব্যবস্থা করা।
৫. কার্যদিবসের প্রথমার্ধ্বে ট্রায়াল আদালত পরিচালনার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি
ত্বরান্বিত করা, দ্বিতীয়ার্ধ্বে জামিন ও রিমান্ড শুনানির ব্যবস্থা ।
৬. মামলা নিষ্পত্তিকে উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ সাক্ষ্য গ্রহণকারী ও
সর্বোচ্চ মামলা নিষ্পত্তিকারী ম্যাজিস্ট্রেটদের পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থা।
সর্বোচ্চ সাক্ষ্যগ্রহণকারী ও
নিষ্পত্তিকারীদের দেওয়া হচ্ছে সম্মাননা
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সব বিচারকই আন্তরিকতার
সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। মামলাজট নিরসনের জন্য তারা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
পরিশ্রম করে যাচ্ছেন আদালতের সব স্টাফ। বিচারকদের কাজের গতি আরও বৃদ্ধি করার জন্য
প্রতি মাসে পুরস্কার চালু করেছেন সিএমএমপ্রধান রেজাউল করিম চৌধুরি। সর্বোচ্চ
সাক্ষ্য গ্রহণকারী ও নিষ্পত্তিকারীদের দেওয়া হচ্ছে সম্মাননা।
এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের জুলাই এবং অক্টোবর মাসে সর্বোচ্চ
সাক্ষ্যগ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো.
তোফাজ্জল হোসেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে সর্বোচ্চ সাক্ষ্য গ্রহণকারী মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসেন এবং দেবদাস চন্দ্ৰ অধিকারীকে দেওয়া হয় সম্মাননা।
জুলাই মাসে সর্বোচ্চ নিষ্পত্তিকারী ম্যাজিস্ট্রেট যথাক্রমে হলেন
মোশারফ করিম, নিভানা খায়ের জেসী ও রাজেশ চৌধুরিকে দেওয়া হয় সম্মাননা। আগস্ট মাসে
সর্বোচ্চ মামলা নিষ্পত্তিকারী ম্যাজিস্ট্রেট যথাক্রমে তামান্না ফারাহ, আফনান সুমী,
রাজেশ চৌধুরিকে দেওয়া হয় সম্মাননা। সেপ্টেম্বর মাসের সর্বোচ্চ মামলা নিষ্পত্তিকারী
ম্যাজিস্ট্রেট যথাক্রমে ইয়াসমিন আরা, মোশারফ হোসেন, মোহাম্মদ শেখ সাদীকে দেওয়া হয়
সম্মাননা। অক্টোবর মাসে সর্বোচ্চ নিষ্পত্তিকারী ম্যাজিস্ট্রেট যথাক্রমে শহিদুল
ইসলাম, ইয়াসমিন আরা ও নুরুল হুদা চৌধুরিকে দেওয়া হয় সম্মাননা।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও নেজারত শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেবদাস চন্দ্র অধিকারী বলেন, মামলার জট কমাতে আন্তরিকতার সঙ্গে চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকরা কাজ করে যাচ্ছেন। আদালতের স্টাফরাও কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। প্রতি মাসে সর্বোচ্চ সাক্ষ্যগ্রহণকারী ও নিষ্পত্তিকারীদের দেওয়া হচ্ছে সম্মাননা।
মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়ায়
সন্তুষ্ট আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা
চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের গৃহীত পদক্ষেপ, সহায়ক কর্মচারী,
প্রসিকিউশন টিম ও আইনজীবীদের আন্তরিক সহযোগিতার ফলে বিপুলসংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি
করা সম্ভব হয়েছে। পদ্ধতিগত আইনের সংশোধন, বিচারকদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত
উন্নয়নের মাধ্যমে বিচারপ্রার্থী মানুষকে আরও স্বল্প সময়ে বিচারিক সেবা প্রদান
সম্ভব হবে। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রেকর্ডসংখ্যক মামলা নিষ্পত্তির
ফলে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। এতে আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা
সন্তুষ্ট।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জিএম মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমান সিএমএম
রেজাউল করিম দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করছেন। আদালতের বিচারকরা অনেক আন্তরিক। মামলা
দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়ায় আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা সন্তুষ্ট।
আইনজীবী খালেদ হোসেন বলেন, বর্তমান সিএমএম আসার পর মামলা
নিষ্পত্তির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি হচ্ছে। বর্তমানে
বিচারপ্রার্থীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচার পাচ্ছেন। এতে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা
সন্তুষ্ট। আশা করছি এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
দ্রুত সময়ে মামলা নিষ্পত্তি করতে
আন্তরিক বিচারকরা
ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) জসিম উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা নিয়মিতভাবে মামলার সাক্ষীদের আদালতে উপস্থাপন করছি। পুলিশ ও ব্যক্তি সাক্ষীদের আদালতে সাক্ষ্য দিতে নিয়মিত সমন পাঠানো হচ্ছে। বর্তমান সিএমএম মামলার জট কমাতে ব্যাপক চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সিএমএম আদালতের বিচারকরাও মামলা নিষ্পত্তি করতে আন্তরিক। তারা মামলা নিষ্পত্তি করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বিচারপ্রার্থীরা যেন সবসময় ন্যায়বিচার পান সেদিকে আমরা নজর রাখছি।
ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু জাগো নিউজকে
বলেন, মামলার জট কমাতে সিএমএম আদালতের সব বিচারক আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন।
পুলিশ আদালতে সাক্ষীদের উপস্থিত করাচ্ছেন। ভবিষ্যতে মামলার জট যেন না বাঁধে সেজন্য
আইনজীবী ও বিচারকদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবাই মিলে কাজ করলে মামলার জট হবে না।
এটা বাদী, বিবাদী ও রাষ্ট্রের জন্য ভালো হবে। দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায়
বিচারপ্রার্থীরা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন। সবাই যেন ন্যায়বিচার পান এটাই প্রত্যাশা।
এ বিষয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজুর রহমান মন্টু
জাগো নিউজকে বলেন, যখন প্রধান বিচারপতি বলেছেন বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে লাখ লাখ
মামলার জট রয়ে গেছে। এরপর ঢাকার আদালত নিয়ে তিনি নিজে মিটিং করে মামলার জট কীভাবে
কমানো যায় সে বিষয়ে বিচারকদের সিদ্ধান্ত নিতে বলেন। সে পরিপ্রেক্ষিতে আদালত
প্রধানরা মিটিং করে মামলার জট কমানোর নির্দেশ দেন। এরপর থেকে ঢাকার আদালতে মামলা
দ্রুত নিষ্পত্তি হচ্ছে। এতে বিচারপ্রার্থীরা ভালো বিচার পাচ্ছেন এবং তারা
সন্তুষ্ট। আইনজীবীদের সহযোগিতায় আদালত দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করছেন। এভাবে মামলা
দ্রুত নিষ্পত্তি হলে বিচারপ্রার্থীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন না। মামলা দ্রুত
নিষ্পত্তি হওয়ায় আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরাও সন্তুষ্ট।








